ওভুলেশন কিভাবে হিসাব করা হয়?
পরবর্তী মাসিকের প্রায় ১৪ দিন আগে ওভুলেশন হয়। তাই চক্রের দৈর্ঘ্য থেকে ১৪ বাদ দিন: ২৮ দিনের চক্রে ১৪তম দিন, ৩২ দিনের চক্রে ১৮তম দিন।
শুক্রাণু ৫ দিন পর্যন্ত বাঁচে, তাই উর্বর সময় ওভুলেশনের ৫ দিন আগে শুরু হয়ে ওভুলেশনের পরের দিন শেষ হয়।
ওভুলেশনের পরের পর্যায় (লুটিয়াল পর্যায়) বেশিরভাগ নারীর ১২–১৪ দিন থাকে; শরীরের তাপমাত্রা বা ওভুলেশন টেস্ট থেকে নিজেরটা জানলে ১০–১৬ দিন লিখুন। ক্যালকুলেটর আজ ওভুলেশনের কত দিন পর এবং ইমপ্লান্টেশনের সময়ও দেখায়।
চক্রের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী ওভুলেশনের দিন
| চক্র | ওভুলেশন | উর্বর সময় |
|---|---|---|
| ২১ | ৭তম দিন | ২তম দিন – ৮তম দিন |
| ২৪ | ১০তম দিন | ৫তম দিন – ১১তম দিন |
| ২৬ | ১২তম দিন | ৭তম দিন – ১৩তম দিন |
| ২৮ | ১৪তম দিন | ৯তম দিন – ১৫তম দিন |
| ৩০ | ১৬তম দিন | ১১তম দিন – ১৭তম দিন |
| ৩২ | ১৮তম দিন | ১৩তম দিন – ১৯তম দিন |
| ৩৫ | ২১তম দিন | ১৬তম দিন – ২২তম দিন |
সাধারণ প্রশ্ন
মাসিকের কত দিন পর ওভুলেশন হয়?
নিয়মিত ২৮ দিনের চক্রে মাসিকের প্রথম দিন থেকে গুনে প্রায় ১৪তম দিনে। চক্র লম্বা হলে ওভুলেশনও দেরিতে হয়: চক্রের দৈর্ঘ্য − ১৪।
ওভুলেশন কত দিন থাকে?
ডিম্বাণু প্রায় ১২–২৪ ঘণ্টা বাঁচে, কিন্তু উর্বর সময় প্রায় ৬ দিন: ওভুলেশনের আগের ৫ দিন, ওভুলেশনের দিন ও পরের দিন।
কত দিন মাসিক না হলে প্রেগনেন্সি টেস্ট করব?
যে দিন মাসিক হওয়ার কথা সেদিন বা তার পর টেস্ট করলে ফল সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য হয়, অর্থাৎ ওভুলেশনের প্রায় ১৪ দিন পর।
অনিয়মিত মাসিকে এই হিসাব কি ঠিক?
ক্যালেন্ডার পদ্ধতি নিয়মিত চক্রের জন্য আনুমানিক। প্রতি মাসে চক্র অনেক বদলালে ওভুলেশন টেস্ট বা ডাক্তারের পরামর্শ বেশি নির্ভরযোগ্য।